# আশে-পাশের মানুষজন বেশিরভাগ সময়ই তোমাকে বোঝার চেষ্টা করবে না। তারা বুঝবেও না তুমি কি অবস্থায় আছো, কিসের ভিতর দিয়ে যাচ্ছ। তারা তাদের মত করেই তোমাকে বিবেচনা করবে। আর যে জিনিসটা তারা খুব ভালো পারবে তা হলো সমালোচনা করা। তুমি যাই করো না কেন সেটা যে খুব বড় ধরণের ভুল এটা নানানভাবে তারা বোঝাবে। এর ওর সাথে তুলনা করবে। তাই নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানো পর্যন্ত তাই এই সারির মানুষের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। এরা যাতে তোমার চিন্তা-ভাবনার উপরে প্রভাব ফেলতে না পারে সেটা খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে যখন তুমি সফল হবে এরাই তোমাকে সবচেয়ে বেশি তেল দিবে, তোমার আগে-পিছে থাকার চেষ্টা করবে।
# পরিবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। এরাও সবসময় বুঝেনা আমাদের। তবে এরা প্রথম শ্রেণীর মত না। এরা সত্যিকারে তোমাকে ভালোবাসে, তোমার ভালো চায়। হয়ত সবসময় বুঝতে পারেনা এই যা। এরা বকা দিবে, কথা শোনাবে আবার দিনশেষে এরাই আগলে রাখবে। তুমি ব্যর্থ হলেও এরাই পাশে থাকবে। তাই এদের কষ্ট দিতে নাই। কিন্তু সবসময় এটা পারা সম্ভব হয় না। মাঝে মাঝে কষ্ট পেয়ে যায়। কারণ মাঝে মাঝে আমরাও চাপে থাকি, কষ্টে থাকি। 🙁
# অর্থই সকল অনর্থের মূল হতে পারে। কিন্তু অর্থ না থাকলে ভালো খারাপ কোন কিছুই ঠিকমত করা সম্ভব না। ভালো কিছু করার জন্যও অর্থ প্রয়োজন। নিজে অসচ্ছল হলে কোন কিছুই ঠিকভাবে করা সম্ভব হয় না। আবার নিজেকে তখন বোঝা মনে হয়। তাই এই ব্যাপারটা নিশ্চিত করতে হবে। এটাও সহজ কাজ নয়। তাই সময়মত পরিশ্রম করা খুব জরুরী। অর্থকে অনর্থ মনে করে উদাসীন থাকার মত অনর্থক কাজ এবং ভাবনা আর কোনটাই হতে পারে না।













