নিজের সক্ষমতার উপরে ভালো ধারণা থাকা খুব প্রয়োজন। কোন একটা বিষয়ে কতদিন, কতটুকু সময় দিতে হবে সেই বিষয়ে নিজের ধারণা থাকতে হবে। এরপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে। একটু একটু করে নিজেকে ওই বিষয়ে দক্ষ বা ওই অবস্থানে নিয়ে যেতে হবে। নিজেকে কোন বিষয়ে দক্ষ করে তুলে যাবে না এটা ভুল ধারণা। সময় কম বেশি লাগতে পারে কিন্তু দক্ষ হওয়া যাবেই।
সমস্যা হলো আশেপাশের নানান পরিস্থিতির কারণে আমরা কখনও কখনও নিজের সক্ষমতা বুঝতে পারিনা। নিজেকে অথর্ব মনে করি। আবার কখনও কখনও নিজে যে কাজ করার জন্য সক্ষম না সেই কাজ করতে পারব ভাবা শুরু করি। Confident less or Over Confident দুইটাই খুব ক্ষতিকর। আর এই দুইটা থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র উপায় হচ্ছে জ্ঞান অর্জন বা পড়ালেখা করা। পড়াশোনার কোন বিকল্প নাই। আর এখন পড়ালেখার করার মাধ্যম অনেক ব্যাপক। ইন্টারনেটে নানান বিষয়ের উপরে পড়ার সুযোগ আছে। নানান মানুষের সফলতার এবং ব্যর্থতার কাহিনী পড়া যায়। পড়া যায় মানুষের চিন্তা করার পদ্ধতি নিয়ে। সামান্য সূচ থেকে শুরু করে উড়োজাহাজ এর মেকানিজম নিয়েও পড়া যায় ইন্টারনেটে। মোট কথা সব কিছু নিয়েই পড়ার সুযোগ আছে।
যত পড়া হবে তত জানা হবে। আর যত জানা যাবে তত নিজেকে বুঝা যাবে। নিজেকে বুঝতে পারলে তখন নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ হয়ে যায়। যার গণিত ভালো লাগে না সে তখন বুঝতে পারে কি করলে গণিত ভালো লাগবে, যার কাছে ইতিহাস ভালো লাগে না সেও নিজেকে ইতিহাস পড়ায় আগ্রহী করে তুলতে পারবে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো প্রথমে পড়াটা কিভাবে শুরু করব। উত্তর সহজ। গল্পের বই দিয়ে শুরু করেন। এটা ভালো না লাগলে যে রকমের বই ভালো লাগে ওই রকমের বই পড়া শুরু করে দেন। যদি কোন রকমের বই-ই ভালো না লাগে তাহলে ফেইসবুক, টুইটারে মানুষের স্ট্যাটাস পড়া শুরু করতে দেন। পড়তে পড়তে পড়ার প্রতি ভালো লাগাটা চলে আসবেই। আর যেহেতু আমার এত-বড় স্ট্যাটাস এতটুকু পড়েছেন তার মানে আপনার পড়ার আগ্রহ আছে। তাহলে শুরু করে দিন আরো বেশি বেশি করে পড়া। নিজেকে জানুন, নিজের সক্ষমতা জানুন, নিজেকে পরিবর্তন করে নিন নিজের মত করে। 🙂













